ঢাকা শুক্রবার | ১৯শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

২০২২ সালের মধ্যে কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন চালু হয়ে যাবে: রেলমন্ত্রী

admin
অক্টোবর ৭, ২০২০ ৮:৩৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

রেলপথ মন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন (ফাইল ছবি)


আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে চট্টগ্রামের কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীর উপর রেলকাম সড়ক সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হবে। সেতু নির্মাণের ডিজাইন চূড়ান্ত করা হয়েছে, স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২২ সালের মধ্যে কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন চালু হয়ে যাবে। একই সময়ের মধ্যে যাতে সেতুটির নির্মাণ শেষ করা যায় সে চেষ্টা করা হবে।

আজ চট্টগ্রামের কালুরঘাটে রেল-কাম সড়কসেতু নির্মাণ স্থান পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান রেলপথ মন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন।

মন্ত্রী বলেন, ‘এই সেতুটি আগেই নির্মাণ করা যেত । একটি ভুল বোঝাবুঝি ছিল যেখানে আলাদা রেলসেতু হবে নাকি রেল ও সড়ক একসাথে হবে। পরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে রেল- কাম রোড সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এই সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিদেশি ঋণদানকারী সংস্থা কোরিয়ান ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন ফান্ড (ইডিসিএফ) এর সাথে আলোচনা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, আগামী বছরের প্রথমদিকে কোরিয়ান সরকারের অর্থায়নে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সেতু নির্মিত হবে যেখানে রেলপথ এবং রোড একসাথে থাকবে।  চট্টগ্রামবাসীর জন্য যেমন এ সেতুটি খুবই দরকার তেমনি ভবিষ্যতে কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি রেললাইন সংযোগ স্থাপনের জন্য সেতুটি নির্মাণ করা অতীব জরুরী ।

মন্ত্রীর পরিদর্শনের সময় চট্টগ্রাম ৮ আসনের স্থানীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোসলেম উদ্দিন এমপি, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব প্রণব কুমার ঘোষ , বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. শামসুজ্জামানসহ রেলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য যে, কালুরঘাট সেতুটি ১৯৩১ সালে মিটার গেজ লাইন বিশিষ্ট রেল সেতু হিসেবে নির্মিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৬২ সালে সড়ক সেতু যুক্ত করে রেল- কাম সড়ক সেতুতে রূপান্তরিত করা হয়। বর্তমানে সেতুটি জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

এটি নির্মিত হলে নিরবচ্ছিন্ন রেল পরিবহন সেবা নিশ্চিত করা যাবে এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার করিডোরের অপারেশনাল বাধা দূর করা যাবে। স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবনমান উন্নত করা এবং আঞ্চলিক বিনিময় সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধিত হবে। মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দরের জন্য বৃহত্তর করিডর তৈরি হবে, বাণিজ্যিক রাজধানীর যানজট হ্রাস পাবে, ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ে নেটওয়ার্কের অংশবিশেষ হিসেবে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে।