পল্লী উদ্যোক্তাদের তিনশ কোটি টাকা ঋণ বিতরণের উদ্বোধন

admin
জুন ১৫, ২০২১ ২:৫৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কোভিড-১৯ এ ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র পল্লী উদ্যোক্তাদের মাঝে স্বল্প সুদে সহজ শর্তে ৩০০ কোটি টাকা প্রণোদনা ঋণ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য।সোমবার (১৪ জুন) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের পল্লী ভবনের সম্মেলন কক্ষে বৃহত্তর ফরিদপুরের পাঁচজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার প্রত্যেককে ৫ লাখ টাকা করে চেক দিয়ে কার্যক্রমের উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়।উল্লেখ্য, কোভিডে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) মোট ৩০০ কোটি টাকা ঋণ তহবিল বরাদ্দ পেয়েছে। ৪ শতাংশ সরল সেবামূল্যে দুই বছর মেয়াদে এ ঋণ বিতরণ করা হবে।এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য বলেন, করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের অব্যাহত অগ্রযাত্রা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য সার্বক্ষণিক নির্দেশনা দিয়েছেন, প্রণোদনা প্যাকেজের ব্যবস্থা করেছেন। কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে দেশের ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতিকে দ্রুত স্বাভাবিক করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করছে সরকার। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে উন্নয়নকাজ অব্যাহত রয়েছে।তিনি ক্ষতিগ্রস্ত নারী পল্লী উদ্যোক্তাদের এ প্রণোদনা ঋণ কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি নির্দেশনা দেন।প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, গ্রামীণ অর্থনীতি উন্নয়নের মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণ বর্তমান সরকারের একটি অন্যতম অঙ্গীকার। বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) গ্রামীণ জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়নের কাজে নিয়োজিত সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সেবাদানকারী একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানটি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্য বিমোচন ও সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক নিরাপত্তামূলক কার্যক্রমের আওতায় বিভিন্ন সেবা দিয়ে আসছে।বিআরডিবির মহাপরিচালক সুপ্রিয় কুমার কুণ্ডুর সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মো. রেজাউল আহসান। অনুষ্ঠানে জেলা ও উপজেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন।