ঢাকা শুক্রবার | ১৯শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ডিলার ছাড়া স্বর্ণালঙ্কার আমদানি নয় : কেন্দ্রীয় ব্যাংক

admin
অক্টোবর ২১, ২০২০ ৫:২৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ফাইল ছবি

স্বর্ণ নীতিমালার আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদিত স্বর্ণ আমদানির ডিলারদের মাধ্যমে এখন থেকে স্বর্ণালঙ্কার আমদানি করতে হবে। অনুমোদিত ডিলারদের বাইরে এককভাবে বা প্রতিষ্ঠানিকভাবে কেউ স্বর্ণালঙ্কার আমদানি করতে পারবে না। এক্ষেত্রে স্বর্ণ আমদানি নীতিমাল ২০১৮ অনুসরণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ও নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে। সার্কুলারে বলা হয়, স্বর্ণ আমদানি নীতিমালা ২০১৮ অনুসরণ করেই অনুমোদিত ডিলাররা স্বর্ণালঙ্কার আমদানি করতে পারবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এর আগে অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে স্বর্ণ আমদানির অনুমতি থাকলেও স্বর্ণালঙ্কার আমদানির বৈধতা ছিল না। এই সার্কুলারের মাধ্যমে স্বর্ণালঙ্কার আমদানির অনুমতি ও নীতিমালা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, স্বর্ণ আমদানির অনুমোদন দেয়ায় দেশে বৈধপথে এটি আমদানি হবে। অর্থ পাচার কমে যাবে। বাড়বে সরকারের রাজস্ব আয়।

স্বর্ণ আমদানি নীতিমালা ২০১৮ তে বলা হয়েছে, ‘আবেদনকারী নিবন্ধিত লিমিটেড কোম্পানি হলে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ন্যূনতম এক কোটি টাকা থাকতে হবে। আমদানিকৃত স্বর্ণবার ও স্বর্ণালঙ্কার নিরাপদে রাখার জন্য সাড়ে ৭০০ বর্গফুটের কার্যালয় থাকতে হবে। লাইসেন্সের জন্য আবেদনকারীদের অফেরৎযোগ্য পাঁচ লাখ টাকার পে-অর্ডার দিতে হবে।’

স্বর্ণ আমদানির ক্ষেত্রে প্রথমত দুই বছরের জন্য লাইসেন্স দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এই লাইসেন্স দুই বছর পরপর নবায়ন করতে হবে। অনুমোদন দেয়া লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে নবায়ন করতে হয়। নবায়নের ফি দুই লাখ টাকা।

নীতিমালাতে স্বর্ণের বিস্কুট বা গোল্ড বার আমদানির পাশাপাশি স্বর্ণালংকার আমদানিরও বিধান রাখা হয়েছে।  কিন্তু এতদিন স্বর্ণালংকার আমদানি হতো বাণিজ্যিকভাবে। এতে দামের হেরফেরের কারণে দামও বেশি পড়ত।  এখন ডিলারদের মাধ্যমে আমদানি করতে হবে।  ফলে আন্তর্জাতিক বাজার দরের সঙ্গে সমন্বয় রেখে স্বর্ণালঙ্কার আমদানি করা যাবে।

উল্লে­খ্য, গত বছর বাংলাদেশ ব্যাংক একটি ব্যাংকসহ ১৯টি প্রতিষ্ঠানকে স্বর্ণ আমদানির লাইন্সেস প্রদান করে।  প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি ব্যাংক হচ্ছে, বেসরকারি খাতের নতৃন প্রজন্মের মধুমতি ব্যাংক।  বাকি ১৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে- ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড, জুয়েলারি হাউস, রতনা গোল্ড, অরোসা গোল্ড কর্পোরেশন, আমিন জুয়েলার্স, শ্রীজা গোল্ড প্যালেস লিমিটেড, জরোয়া হাউস লিমিটেড, মিলন বাজার, এসকিউ ট্রেডিং, এমকে ইন্টারন্যাশনাল, আমিন জুয়েলার্স, বোরাক কমোডিটিস এক্সচেঞ্জ, গোল্ডেন ওয়ার্ল্ড জুয়েলার্স, রিয়া জুয়েলার্স, লক্ষ্মী জুয়েলার্স, বিডেক্স গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ড এবং ডি ডামাস দ্য আর্ট অব গ্যালারি।