ঢাকা রবিবার | ১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

এই প্রথম সাকিব-মুস্তাফিজকে ছাড়া ফাইনাল খেলছে কলকাতা-হায়দরাবাদ

Shakil Shahriar
মে ২৬, ২০২৪ ১০:২৩ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ১৭তম আসরের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। বাংলাদেশ সময় আজ রাত ৮টায় কলকাতা নামবে নিজেদের তৃতীয় শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে, বিপরিতে হায়দরাবাদও প্রস্তুত দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের জন্য। কলকাতা খেলবে চতুর্থবারের মতো ফাইনাল ম্যাচ, বিপরিতে হায়দরাবাদ তৃতীয়।

কলকাতা ও হায়দরাবাদের খেলা সবশেষ ফাইনালে স্কোয়াডে ছিলেন একজন বাংলাদেশি ক্রিকেটার। তবে এবারই প্রথম কোনো বাংলাদেশিকে ছাড়া ফাইনাল খেলবে এই দুটি দল। তারা হলেন বাংলাদেশের পোস্টার বয় সাকিব আল হাসান ও কাটার মাস্টার খ্যাত মুস্তাফিজুর রহমান।

চলমান আইপিএলে  সাকিব ছিলেন না। একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে খেলেছেন মুস্তাফিজ। তবে তার দল চেন্নাই সুপার কিংস ফাইনালে উঠতে পারেনি। আর উঠলেও জাতীয় দলের খেলা থাকায় ফাইনাল খেলা হতো না এই পেসারের।

আইপিএলের ১৭ আসরের মধ্যে ৯ আসরে খেলেছেন সাকিব। এর মধ্যে কলকাতার হয়েই খেলেছেন সাত মৌসুম। ২০১১ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলেছেন। এ সময়ের মধ্যে ২০১২ ও ২০১৪ সালে কলকাতাকে চ্যাম্পিয়ন করায় ভূমিকা রেখেছেন সাকিব।
২০১২ সালে ৮ ম্যাচে মাত্র ৬.৫০ ইকনোমিতে ১২ উইকেট নিয়েছিলেন সাকিব। ব্যাট হাতে করেছিলেন ৯১ রান। ফাইনাল ম্যাচে ৭ বলে ১১ রানে অপরাজিত ছিলেন।

এরপর ২০১৪ আইপিএল মৌসুমে উইকেট নিয়েছিলেন ১১টি, ব্যাট হাতে রান করেছিলেন ২২৭। ২০১৮ ও ২০১৯ মৌসুমে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে খেলেন সাকিব। ২০১৮ সালে হায়দরাবাদকে ফাইনালে তুলতে ভূমিকা রাখেন তিনি। তবে শিরোপা জেতাতে পারেননি।

সাকিব না পারলেও হায়দরাবাদকে প্রথমবার ফাইনালে তুলে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন মুস্তাফিজ। সেটা অবশ্য ২০১৬ সালের আইপিএল মৌসুমে। সেটি ছিল মুস্তাফিজের প্রথম মৌসুম। সেবার ১৬ ম্যাচ খেলে ১৭ উইকেট নেয়ার পথে ওভারপ্রতি রান দিয়েছেন মাত্র ৬.৯০। হায়দরাবাদের শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল মুস্তাফিজের বোলিংয়ের। আইপিএলের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কারটাও উঠেছিল তার হাতে। মুস্তাফিজ এরপর আর আইপিএল ফাইনাল খেলতে পারেননি।

২০২১ সালের আইপিএলেও সাকিব ফাইনাল খেলেছিলেন। হায়দরাবাদের হয়ে ২০১৮-১৯মৌসুম খেলার পর ২০২১ সালে সাকিব কলকাতায় ফেরেন। ফিরেই কলকাতার হয়ে ফাইনাল খেলেন সাকিব। যদিও সাকিব ঠিক আগের মতো পারফর্ম করতে পারেননি। ৮ ম্যাচে বল হাতে নিয়েছিলেন মাত্র ৪ উইকেট। ব্যাট হাতে ৬ ইনিংসে করেছিলেন মোট ৪৭ রান। সেই মৌসুমের পর আর আইপিএলে দেখা যায়নি সাকিবকে।